চলনবিলের পানি শুকিয়ে গেছে। পুকুর, ডোবা, নালা, খাল সব খানেই মৎস্য জীবীদের বিচরণ। নিরুপায় পাখিরা আশ্রয় নিয়েছে করতোয়া নদীতে। ঐ নদীর ব্রিজ সংলগ্ন জলাশয়টি এখন যেন পাখিদের অভয়ারণ্য। করতোয়া নদী সিরাজগঞ্জ জেলাধীন তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নওগাঁ এলাকায়।

খাবারের লোভে প্রতিবছর শীত মৌসুমে ঝাঁকে-ঝাঁকে অতিথি পাখি চলনবিল এলাকায় আসে। রং-বেরঙের বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে ভরে ওঠে গোটা চলনবিল। তবে বর্ষার পানি শুকিয়ে যাওয়ার সাথে পাখিরা জড়ো হতে থাকে করতোয়া নদীতে।

সরেজমিনে দেখা যায়, করতোয়া নদীর ঐ জলাশয়ে কয়েক হাজার পাখি। তাদের হাঁক-ডাকে মুখরিত জলাশয় এলাকা। দলে-দলে বালিহাঁস পানিতে সাঁতার কেটে বেড়াচ্ছে। গাছের ডালে বসে আছে ছোটো পানকৌড়ি, বড়ো পানকৌড়ি, সাদা বক, ধুসর বক ও মাছরাঙ্গা । মাঝে মধ্যে গাঙচিলের আক্রমণে পাখিগুলো গাছের ডাল ও পানি থেকে ঝাঁকে বেধে উড়ে উঠছে। সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমান বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীব-বৈচিত্র সংরক্ষণের স্বার্থে স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রশাসনি

কভাবেও করতোয়া নদীর পাখি রক্ষায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।